Friday, 21 May 2021

গ্রাফিক ডিজাইনারদের ৫ টি সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি?

 গ্রাফিক ডিজাইনারদের ৫ টি সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি?


আপনি কি গ্রাফিক ডিজাইনার? কাজ পারেন কিন্তু আপনার কাজগুলো সেল করার জন্য  ভালো কোন মার্কেটপ্লেস খুঁজে পাচ্ছেন না। তাহলে আজকের ব্লগ টি আপনার জন্য।  আজকের ব্লগে আমি গ্রাফিক ডিজাইনারদের ৫ টি সেরা মার্কেটপ্লেস নিয়ে আলোচনা করব।  যেখান থেকে আপনি সরাসরি ক্লায়েন্ট পাবেন বা আপনার কলার টেমপ্লেটগুলি সেল করতে পারবেন। কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি।


GraphicRiver

১. GraphicRiver

প্রিমিয়াম টেমপ্লেট, ওয়েবসাইটের টেমপ্লেট, ইমেইল টেমপ্লেট, লোগো, বিজনেস কার্ড, আইকন এবং ওয়েবসাইট টেমপ্লেট সেল করার মার্কেটপ্লেস  গুলোর মধ্যে গ্রাফিক রিভার সবার উপরে।

গ্রাফিক রিভারের অন্তর্ভুক্ত সমস্ত ডিজাইনগুলি গ্রাফিক রিভার ম্যানুয়ালি রিভিউ করে। না না আপনি বলতে পারেন। গ্রাফিক রিভার টিম প্রত্যেক সপ্তাহে ডিজাইনারদের বেস্ট লোগো, টেমপ্লেট,  বিজনেস কার্ড, ওয়েবসাইট টেমপ্লেট, ইমেইল টেমপ্লেট সহ অন্যান্য ডিজাইন গুলো নিয়ে একটি ফিচার্ড কালেকশন প্রকাশ করে। যার ফলে ডিজাইনারদের সেল অনেকটা বেড়ে যায়। 


Shutterstock

২. Shutterstock

সাটারস্টক একটি স্বীকৃত ফটোগ্রাফি এজেন্সি। এ মারকেটপ্লেস টি ১৪০ দেশের ১.৪ বিলিয়ন জনগণ এবং ১০০,০০০ কন্ট্রিবিউটর এর পরিপূর্ণ সমন্বয়। যা ফটোগ্রাফ,  ভেক্টর, ভিডিও এমনকি মিউজিক ও বিক্রি করে থাকে। 

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শাটারস্টক ৯০ মিলিয়ন এর ও বেশি ফ্রী ফটোগ্রাফি এবং ভেক্টর গ্রাফিক্স এর একটি বিশাল অনলাইন সেলিং মার্কেট। এ মার্কেটপ্লেস টি গ্রাফিক ডিজাইনারদের অন্যতম সেরা মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে একটি।


Freelancer

৩. Freelancer

সিরিয়ালের দিক দিয়ে তিন  নম্বরে রাখলেও  এই মার্কেটপ্লেস কি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে একটি। এখানে গ্রাফিক ডিজাইন এর পাশাপাশি  আরো অনেক সেক্টর রয়েছে।  ডিজাইনের বিভিন্ন কনটেস্ট অংশগ্রহণ বা সরাসরি ক্লায়েন্ট এর অর্ডারের মাধ্যমে তাদের ডিজাইন সেল করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, কনটেস্ট এরপর যদি কোন বায়ার কারো ডিজাইন সিলেক্ট না করে তাহলে বেস্ট রেটিং পাওয়া তিনটি ডিজাইনার কে ফ্রিল্যান্সার কনটেস্ট এর প্রাইজমানি টি ভাগ করে নিতে দেয়।


Fiverr

৪. Fiverr

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ফাইবার সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। শুধু গ্রাফিক ডিজাইনার নয় সকল ধরনের ফ্রিল্যান্সারের পদচারণা ফাইবার এ দেখা যায়। নিজের প্রোফাইল গিগ তৈরির মাধ্যমে  সেলাররা তাদের ডিজাইন সেল করতে পারবেন। ফাইবার বায়ার এবং সেলার উভয়কেই রিভিউ করার সুযোগ করে দিয়েছে যার ফলে ডিজাইনাররা তাদের ক্লায়েন্ট কেও রেটিং দিতে পারবে।

কাজের উপর ভিত্তি করে ফাইবার তার ইউজারদেরকে বিভিন্ন লেভেল দিয়ে থাকে।  যার ফলে ডিজাইনারদের কাজ পেতে অনেকটা সুবিধা হয়। ফাইবারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে মাত্র ৫ ডলারে ও কাজ করা যায়।  গ্রাফিক ডিজাইনারদের সেরা মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে ফাইবার রয়েছে।


৫. Freepik

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের রেডিমেড ডিজাইন সেলিং প্লাটফর্ম এর মধ্যে ফ্রীপিক অন্যতম। ফ্রীপিক বর্তমানে ডিজাইনের একটি স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ফ্রীপিক এ কোন ডিজাইন পাবলিশ  হওয়ার পর কেউ সেই ডিজাইন ডাউনলোড করলে ফ্রীপিক সেখান থেকে ডিজাইনার কে কিছু  অর্থ দিয়ে দেয়। ফ্রীপিক এ  মোটামুটি কিছু ডিজাইন পাবলিশ হয়ে গেলে কোন প্রকার পরিশ্রম ছাড়াই ডিজাইনার বেশ ভালো উপার্জন করতে পারবেন।

ফ্রীপিকে বিজনেস কার্ড, ব্যানার, লোগো, ইলাস্ট্রেশন ছাড়াও সকল ধরনের ডিজাইন সেল করা যাবে। এটিও গ্রাফিক ডিজাইনারদের সেরা মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে একটি।

 আজ এ পর্যন্তই। আশা করি আপনাদের অনেক কাজে আসবে। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

ওয়েবসাইটে কাস্টম ফন্ট কিভাবে এড করবেন?

 ওয়েবসাইটে কাস্টম ফন্ট কিভাবে এড করবেন?


বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং এর  জনপ্রিয় সেক্টর গুলোর মধ্যে ব্লগিং অন্যতম। ব্লগিং শুরু করার জন্য আমরা সাধারণত সিএমএস হিসাবে ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার ব্যবহার করি। ওয়াডপ্রেস  বা ব্লগারে ব্যবহৃত ফন্ট অনেক সময় আমাদের ভালো লাগেনা বা অন্যদের ওয়েবসাইটে দেখা ফন্ট আমাদের  ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে। তাই আজকের ব্লগ টি কাস্টম ফন্ট নিয়ে।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে কিভাবে কাস্টম ফন্ট এড করবো?

সিএমএস এর জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে বর্তমানে ওয়াডপ্রেস সবচেয়ে এগিয়ে। তাই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে শুরু করছি। ওয়ার্ডপ্রেসের একটি প্লাগিন দিয়ে খুব সহজেই আমরা  আমাদের ওয়েবসাইটে কাস্টমস অ্যাড করতে পারবো। চলুন তাহলে শুরু করি। 


GOOGLE FONT


প্রথমে প্লাগিন সেকশন এ যাবো। এবার গুগল ফন্ট নামের প্লাগিন ইন্সটল করে এক্টিভ করে দিব। বলতে পারেন মোটামুটি কাজ শেষ। এবার হোমপেজে এসে কাস্টমাইজ এ ক্লিক করলে দেখতে পারব গুগোল ফন্ট নামে একটি অপশন এসে গেছে। এবারে গুগল ফন্ট এ ক্লিক করে কাঙ্খিত কাঙ্খিত ফন্ট সিলেক্ট করে পাবলিশ করে দিলে আমাদের ওয়েবসাইট এর ফন্ট পরিবর্তন হয়ে যাবে।

ব্লগার ওয়েবসাইটে কিভাবে কাস্টম ফন্ট এড করবো?

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইটে খুব সহজেই  কাস্টম ফন্ট এড করা গেলেও ব্লগারে তাই একটু কঠিন।  তবে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে  খুব সহজেই আপনি আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটের চেঞ্জ করতে পারবেন। 

  • প্রথমেই ব্লগার এর সেটিং থেকে থিমে যাবো  এবং ব্যাকআপ করে  নিব। এবার এডিট এইচটিএমএল এ ক্লিক করব।
  • Ctrl + F চেপে  সার্চ বক্সে </head> লিখে সার্চ দিব।  এবং এই ট্যাগের উপরে আমরা যে ফোনটি ব্যবহার করতে চাচ্ছি তার এইচটিএমএল কোড টা বসিয়ে দিবো।

ফন্ট এর এইচটিএমএল কোড কোথায়  পাবো?

গুগল ফন্ট এর ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই আমরা যেকোনো গুগোল ফন্ট এর এইচটিএমএল কোড  বের করতে পারবো।  প্রথমে গুগোল ফন্ট ওয়েবসাইটে ঢুকে আমরা আমাদের কাঙ্খিত ফন্টটি সার্চ করে ভিতরে ঢুকবো। এবার ডান দিকে থাকা Select this Style এ ক্লিক করলেই ডানদিকে একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে।  এখান থেকেই আমরা ফন্ট এর এইচটিএমএল কোড  এবং ফন্ট ফ্যামিলি (CSS এ ব্যবহৃত) কি তা জানতে পারবো।


Google Font HTML code


এইচটিএমএল এর কাজ শেষ,  এবার আমাদের সিএসএস এর কাজ রয়েছে। 

  • পূর্বের মতোই Ctrl + F চেপে  সার্চ বক্সে যাবেন এবং এবারে font-family: লিখে সার্চ করব। 
  • এবার অন্য ফন্টের জায়গায় আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফন্ট নাম বসিয়ে দিব। এভাবেই প্রত্যেকটি font-family  তে  আমরা আমাদের কাঙ্খিত ফন্টের  নাম বসিয়ে দেব ।

সবগুলো ফন্ট ফ্যামিলিতে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফন্ট টি বসিয়ে দেয়ার পর আমরা Save এ ক্লিক করব। এবার না আমাদের ব্লগের ঢুকলে দেখতে পারব আমাদের পূর্বের ফন্ট টি আর নেই এবং আমরা যে ফন্ট টি ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম  সেটা চলে এসেছে।

বিঃ দ্রঃ font-family:FontAwesome থাকলে সেটা পরিবর্তন করবেন না।

আশাকরি কাস্টম ফন্ট নিয়ে লেখা পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে এবং আপনাদের অনেক কাজে আসবে।  প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু জানতে বঙ্গ টেক এর সাথেই থাকুন।   দেখা হবে পরবর্তী কোন এক ব্লগে, ধন্যবাদ।

এসএসএল কি? কিভাবে এসএসএল চালু করতে হয়?

 


এসএসএল কি?

এসএসএল  বা সোর্স সকেট লেয়ার হলো একটি এনক্রিপশন ভিত্তিক ইন্টারনেট সুরক্ষা প্রটোকল। ১৯৯৫ সালে ইন্টারনেটের গোপনীয়তা, প্রমাণীকরণ এবং ডেটা অখণ্ডতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নেটস্কেপ  দিয়ে এসএসএল তৈরি করা হয়েছিল। এসএসএল টিএসএল এনক্রিপশন এর পূর্বসূরী। 

SSL



এসএসএল কিভাবে কাজ করে?

এসএসএল কি কাজ করে  এটা না জেনে আমরা অনেকেই এস এস এল চালু করি। অর্থাৎ নট সিকিউর কে সিকিউর করার জন্য চালু করি। চলুন তাহলে দেখে আসি এসএসএল মূলত কি কি কাজ করে।

  • ওয়েবসাইটের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করতে এসএসএল ডেটা এনক্রিপ্ট করে। যা ওয়েবসাইট জুড়ে সঞ্চারিত হয়।এর অর্থ হলো যখন অন্য কেউ ডাটাগুলোকে ডিক্রিপ্ট করার চেষ্টা করে তখন একটি লেয়ার এর সৃষ্টি হবে যার ফলে ডাটা গুলো ডিক্রিপ্ট করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
  • এসএসএল কমিউনিকেশন এর দুটি ডিভাইসের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। 
  • এসএসএল ইউজারদের নিশ্চিত করে  ওয়েবসাইট কি সুরক্ষিত। 
  • এসএসএল ডেটা অখণ্ডতা রক্ষা করার লক্ষ্যে ডেটার ডিজিটাল স্বাক্ষর করে। এবং ডাটা সমূহ  ইউজার এর কাছে পৌঁছানোর আগে যাচাই করে যাচাই করে নেয়। এর ফলে ডেটা নিয়ে কোনো ছলচাতুরি করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। 


কিভাবে  এস এস এল চালু করব? 

যাদের ওয়েবসাইট আছে সিএমএস ব্লগারে তারা খুব সহজেই  এস এস এল চালু  করতে পারবেন।ব্লগারের সেটিং থেকে HTTPS  সেকশন এ গিয়ে HTTPS availability এবং HTTPS redirect কি চালু করে দিলেই  এস এস এল চালু হয়ে যাবে। 

Blogger SSL



এবার আসি যাদের ওয়েবসাইট  সিএমএস ওয়ার্ডপ্রেসে তারা কি করবে  এস এস এল চালু করবো। পাঁচটি খুব সহজ স্টেপ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে খুব সহজেই এসেছে চালু করতে পারব। 

  • প্রথম স্টেপ, Cloudflare এ একটি অ্যাকাউন্ট করা। Cloudflare এমন একটি ওয়েবসাইট যা আমাদের ফ্রী এসএসএল দিবে। Cloudflare এ অ্যাকাউন্ট করার জন্য প্রথমে Cloudflare ওয়েবসাইটে ঢুকবো। এবার উপরের ডান দিকে থাকা সাইন আপ বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি ফ্রি একাউন্ট খুলে ফেলব। 

SSL



  • দ্বিতীয় স্টেপ, অ্যাড সাইট এ ক্লিক করে  আমাদের কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইট অ্যাড করব যে ওয়েবসাইটটিতে আমরা  এস এস এল চালু করতে চাচ্ছি। এরপর নেক্সট এ ক্লিক করে ফ্রী প্ল্যান সেলেক্ট করে কনফার্ম করব। 

Cloudflare SSL



  • তৃতীয় স্টেপ, ডি এন এস পরিবর্তন অর্থাৎ ডোমেইন নেম সার্ভার পরিবর্তন। Cloudflare সার্ভারে আমরা আমাদের সাইট থেকে এড করার জন্য আমাদের পূর্বের নেম সার্ভার চেঞ্জ করে Cloudflare থেকে প্রাপ্ত নেম সার্ভার অ্যাড করব। এবং নেম সার্ভার চেঞ্জ হওয়ার পর আমরা Continue-এ ক্লিক করব। 
Cloudflare SSL



  • চতুর্থ স্টেপ, আমরা আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড এ লগইন করে প্লাগিন সেকশনে যাব এবং সেখান থেকে Flexible SSL for CloudFlare প্লাগিনটি ইন্সটল করে একটিভ করব। প্লাগিনটি ইন্সটল হয়ে গেলে আমরা সর্বশেষ স্টেপে চলে যাব।

Cloudflare SSL


  • পঞ্চম স্টেপ, আমরা পুনরায় CloudFlare ওয়েবসাইটে ফিরে আসবো। এবার উপরে থাকা লক আইকনে ক্লিক করে Always Use HTTPS চালু করে দিব। চালু করার সাথে সাথেই আমাদের ওয়েবসাইটটি এসএসএল দ্বারা  সিকিউর হয়ে যাবে। 

Cloudflare SSL


এবার আপনি আপনার ওয়েবসাইটে  ঢুকলে দেখতে পারবেন  উপরের নট সিকিউর  ম্যাসেজটি আর নেই।  এর পরিবর্তে সেখানে একটি  লক  আইকন এসে গেছে। অর্থাৎ আমাদের ওয়েবসাইটে  এসএসএল চালু হয়ে গেছে।

আজ এ পর্যন্তই,  আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। ভাল লাগলে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

অন পেজ এসইও কি? কিভাবে অন পেজ এসইও করবো?

 অন পেজ এসইও

আমাদের যাদের ওয়েবসাইট এর সিএমএস (কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) ওয়ার্ডপ্রেস  এবং যারা ওয়ার্ডপ্রেসের Yoast এসইও প্লাগিন ব্যবহার করেন তারা অনেকেই অনপেজ এসইও এর সাথে পরিচিত।

আমরা যারা এসইও নিয়ে কাজ করি কিংবা যাদের এসইও সম্বন্ধে ধারণা আছে তারা জানি অন পেজ এসইও কি? সহজভাবে বলতে গেলে  অন পেজ এসইও বলতে আমরা বুঝি একটা পার্টিকুলার পেজের এসইও। যা আপনার ওয়েব পেজটিকে অপটিমাইজ করে সার্চ রেংকিং এ অনেকটা এগিয়ে দিবে। 



কিভাবে অন পেজ এসইও করবো? 

অন অন পেজ এসইও অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি। 

  • ইন্টারনাল লিংক: ইন্টারনাল লিংক হলো কনটেন্ট এর মধ্যে আপনার ওয়েবসাইটের অন্যান্য পেজের লিংক এড করা।  ইন্টারনাল লিংক ইউজারদের মধ্যে  ট্রাস্ট এর পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এবং কন্টেন্টে ইন্টারনাল লিংক থাকলে সেই কন্টেন্টে গুগল বট দ্রুত ইন্ডেক্স করে। 
  • আউটবাউন্ড লিংক: আউটবাউন্ড লিঙ্ক হচ্ছে কনটেন্ট এর মধ্যে কনটেন্ট রিলেটেড অন্যদের লিংক দেয়া। 
  • মেটা ডেসক্রিপশন: গুগোল আপনার পোস্টটি কেউ সার্চ দিলে টাইটেলের নিচে যে ডেসক্রিপশন টি  আসে সেটি  মেটা ডেসক্রিপশন।  অন পেজ এসইও তে ডিসক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
  • ইমেজ অল্টার টেক্সট: যখন কোন কারণে আমাদের ওয়েবসাইটের ইমেজটি লোড নিতে পারে না তখন ইমেজের জায়গায় যে টেক্সট  টি দেখা যায় সেটি ইমেজ  অল্টার টেক্সট। 
  • টেক্সট লেন্থ:  অন পেজ এসইও জন্য কন্টেন্টে ন্যূনতম 350 শব্দ থাকতে হবে। 
  • কীপ্রেস ডেনসিটি: কনটেন্ট এর শব্দ সংখ্যার উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট এর মধ্যে ফোকাস কিওয়ার্ড নিশ্চিত করা।

মোটামুটি এগুলোই অনপেজ এসইও এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 


অন পেজ এসইও এর উপকারিতা কি কি? 

  • সার্চ র‍্যাংকিং উন্নতি: একটি ভালো এবং কোয়ালিটিফুল কনটেন্টকে অনপেজ এসইও এর মাধ্যমে খুব সহজেই এ সিআরপি অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট এ উপরের সাড়ির দিকে নিয়ে আসা যায় বা প্রথম পেজ আনা যায়। 
  • অর্গানিক ট্রাফিক বুষ্ট: অনপেজ এসইও এর ফলে আপনার কনটেন্টটি সার্চ রেজাল্ট এ  উপরের দিকে চলে আসবে।  যার ফলে আপনি পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি অর্গানিক ট্রাফিক পাবেন। 
  • উপার্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি: অনপেজ এসইও এর কারণে  সাইটে বেশি বেশি  ভিজিটর আসবে।  যার ফলশ্রুতিতে  আপনার উপার্জন বেড়ে যাবে। 

এছাড়াও  অন পেজ এসইও এর মাধ্যমে  লোকাল সার্চ  বৃদ্ধি করা  যায়। আশা করি  অনপেজ এসইও নিয়ে লেখা আজকের এই পোস্টটি  আপনাদের ভাল লেগেছে  এবং  পোস্টটি আপনাদের অনেক কাজে  লাগবে। এতক্ষণ সময় দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ, টেক রিলেটেড নিত্য নতুন তথ্য বাংলায় জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

সাইট কিট কি? সাইট কিট কিভাবে সেট আপ করতে হয়?

একটি ওয়েবসাইট চালু করার পর সেই ওয়েবসাইট তথ্যগুলো মনিটর করার জন্য আমরা গুগলের বিভিন্ন পরিষেবা ব্যবহার করে থাকি। অনেকের পক্ষে সবগুলো সেবা কোথায় চালু করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। ইভেন অনেকেই করতে পারে না। 

Site Kit ওয়ার্ডপ্রেসের একটি প্লাগিন। যার মাধ্যমে আপনি গুগলের সব পরিষেবা যেমন সার্চ কনসোল,  এনালাইটিকস, গুগল এডসেন্স এর মত সার্ভিস গুলো খুব সহজে চালু করতে পারবেন। 

আজকের এই  ব্লগে আমি আপনাদের দেখাবো সাইট কিট কিভাবে কাজ করে এবং কিভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে সাইট চালু করতে পারেন।


সাইট কিট এর সার্ভিস সমূহঃ

গুগল সার্চ কনসোলঃ Site Kit এর সাহায্যে আপনি আপনার সাইটের ট্রাফিক, পারফর্ম্যান্স এবং ইনডেক্স এর স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।

গুগল এনালাইটিক্সঃ গুগোল এর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেবা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে গুগল এনালাইটিক্স। গুগল এনালাইটিক্স মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটের ইউজার, রিয়েল টাইম ভিউয়ার সহ সব কিছু মনিটর করতে পারবেন। 

গুগল এডসেন্সঃ ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন এর জন্য যত গুলো প্রতিষ্ঠান আছে তার মধ্যে গুগল  গুগল এডসেন্স সবচেয়ে এগিয়ে। এখন অব্দি ১০ কোটিরও বেশি সাইট গুগল এডসেন্স ব্যবহার করেছেন। গুগোল প্রতিবছরেই তার প্রকাশকদের কে প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার দেয়। Site Kit প্লাগিন ব্যবহার করে আমরা খুব সহযেই অ্যাডসেন্সের আপীল করতে পারব। 

PageSpeed Insights: এটার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর স্পিড পরীক্ষা করতে পারবেন।  মোবাইল এ কী পরিমাণ লোড নিচ্ছে বা পিসিতে কী পরিমাণ লোডিং নিচ্ছে তা আপনি খুব সহজেই দেখতে পারবেন। 

ট্যাগ ম্যানেজারঃ  যার মাধ্যমে আপনি  কোড পরিবর্তন না করেই  ট্রাকিং পিক্সেলস এবং স্নিপেট গুলি আপনার ওয়েব সাইটে যুক্ত করতে পারবেন। 

অপটিমাইজঃ  অপ্টিমাইজ আপনার সাইটের স্পিড সহ অন্যান্য বিষয় গুলো দেখাশোনা করবে। 


Site Kit ইন্সটল প্রক্রিয়াঃ

  • প্রথমেই বলে রাখছি এর একটি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন।ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাসবোর্ড এ  ঢুকবো।
Site Kit


  • এবার প্লাগিন এ গিয়ে এড নিউ এ ক্লিক করব

Site Kit


  • সার্চ অপশনে Site Kit লিখে ইনস্টল নাউ এ ক্লিক করব

Site Kit


  • ইন্সটল হয়ে গেলে এবার  এক্টিভ এ ক্লিক করবো

Site Kit


ইন্সটল প্রক্রিয়া শেষ।  এবার দেখবো কিভাবে আমরা Site Kit এর সঙ্গে আমাদের ওয়েবসাইটটি এড করবো 

  • ইন্সটলেশন এবং অ্যাক্টিভ প্রক্রিয়া শেষ, এরপর  নিচের ছবির মত একটি ইন্টারফেস আসবে।  এবার আমরা স্টার্টআপ এ ক্লিক করব। 

Site Kit


  • সাইন ইন উইথ গুগল ক্লিক করে আমাদের কাঙ্খিত মেইল সিলেক্ট করে দিব, যে মেইলটি তে আমরা গুগলের সব সার্ভিস  গুলো চালু করতে  চাচ্ছি। 

Site Kit

  • এবার নিচের স্ক্রিনশটের মত Allow তে  ক্লিক করব


  • এখন আমাদের সাইটের  ওনারশিপ ভেরিফাই করতে হবে। ভেরিফাইয়ের জন্য Proceed এ ক্লিক করতে হবে। 

Site Kit

  • ভেরিফাই হয়ে যাওয়ার পর গুগল কে আমাদের সাইটের সব ডাটার এক্সেস দেয়ার জন্য Allow তে ক্লিক করতে হবে।

Site Kit


  • এবার আমাদের সার্চ কনসোল সেট আপ করতে হবে। সার্চ কনসোল সেটআপ এর জন্য আমরা Add Site এ ক্লিক করব।

Site Kit


মোটামুটি Site Kit সেটআপ  শেষ।  এখন আমরা Go to my Dashboard এ ক্লিক করুন  ড্যাশবোর্ড এ চলে যাবো। 

Site Kit


গুগল সার্চ কনসোল ছাড়াও  গুগোল অ্যাডসেন্স  নিচের স্ক্রীনশটে মার্ক করা  সবগুলো সার্ভিস এক ক্লিকের মাধ্যমে খুব সহজেই চালু করতে পারব।  তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন গুগল এডসেন্স কিন্তু টেক্সট ভিত্তিক কনটেন্ট এর উপর বেশি নির্ভরশীল। তাই চেষ্টা করবেন কমপক্ষে ১৫/১৬  টা  ৭০০ প্লাস  শব্দের পোস্ট করার অ্যাডসেন্সে আপিল করা।


সাইট কিট এর সুবিধা সমূহ

  • সাইট কিটের ব্যবহার খুব সহজ
  • সার্কিট ব্যবহার করলে  কোড এর কোনো ঝামেলা থাকে না
  • খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই গুগলের সব সেবা চালু করা যায়
  • একটি প্লাগিন এর মধ্যেই গুগলের সব সেবা একত্রে পাওয়া যায়


সাইট কিট এর  অসুবিধা সমূহ

আজ অব্দি সাইট কিটের কোন অসুবিধা আমি লক্ষ্য করিনি।  তবে ভবিষ্যতে যদি কখনও লক্ষ্য করি তখন পোস্ট আপডেট করে দিব।

আজকের পোস্ট টা এখানেই শেষ করছি।  আশাকরি Site Kit নিয়ে লেখা পোষ্ট টি আপনার অনেক কাজে আসবে।  নিত্যনতুন  এমন তথ্যের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।  ধন্যবাদ,  দেখা হবে নেক্সট ব্লগে। 

Saturday, 10 April 2021

থিন কন্টেন্ট এবং লো ভেল্যু কন্টেন্ট কি?

Low Value Content


গুগল এডসেন্স ব্লগারদের কাছে একটি স্বপ্নের মত। বলতে পারেন অধিকাংশ ব্লগার এই গুগল এডসেন্স এর জন্য ব্লগিং শুরু করে। গুগল এডসেন্স একটি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটে গুগল এডস এর মাধ্যমে অর্ন করতে পারবেন। 

বর্তমান সময়ে গুগল You have another AdSense account বা Content Policy (Low Value Content)এর কথা বলে অনেক অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট করে দিচ্ছে। আমি আমার আরেকটি ব্লগে এডসেন্স এর এনাদার একাউন্ট সমস্যা টা কিভাবে সমাধান করবেন তা নিয়ে লিখেছিলাম।  এবং আজকের ব্লগ টি কনটেন্ট পলিসি নিয়ে। 

কন্টেন্ট পলিসি  এর মধ্যে অন্যতম হলোঃ

  • মিনিমাম কনটেন্ট রিকোয়ারমেন্ট
  • ইউনিক ও হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট
  • থিন কন্টেন্ট

মিনিমাম কনটেন্ট রিকোয়ারমেন্ট কি?

একটা সময় ছিল গুগোল থিম এর ডেমো পোস্টেই এডসেন্স দিয়ে দিত। কিন্তু বর্তমান সময়ে গুগল তাদের পলিসি গুলোর দিকে নজরদারি বাড়িয়েছে। এখন ওয়েবসাইটে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কনটেন্ট না থাকলে গুগোল আর অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল দেয় না। মিনিমাম কনটেন্ট রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে ন্যূনতম কিছু কনটেন্ট রাখা। সংখ্যাটি বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন। তবে আমার মতে ৭০০ প্লাস শব্দের ন্যূনতম ১৫ টি কনটেন্ট থাকা জরুরী।

ইউনিক ও হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট কি?

ইউনিক কি আমরা সবাই জানি তারপরও বলছি। ইউনিক মূলত কপিরাইট মুক্ত। অর্থাৎ নিজের চিন্তা ভাবনা থেকে লেখা কনটেন্ট। এবার আসি হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট কি?  হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট  হলো  ভালো মানের কনটেন্ট।  এমন কনটেন্ট যেটার  ডিমান্ড আছে এবং তথ্যগুলো সঠিক। যে কনটেন্ট পড়ে ইউজার উপকৃত হতে পারবে।

থিন কন্টেন্ট কি? 

কন্টেন্ট পলিসি ভায়োলেশন এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ থিন কন্টেন্ট। থিন কন্টেন্ট হচ্ছে এমন একটি কনটেন্ট যে কন্টেন্ট টি অনেক ছোট এবং ইউজারদের কাছে মূল্যহীন।  সহজ ভাষায় বলতে গেলে যে কনটেন্টের অনপেজ এসইও তে সমস্যা আছে এবং গুগলের কাছে মূল্যহীন।

থিন কন্টেন্ট সমস্যা টি কেন দেখা দেয়?

  • কম শব্দের কনটেন্ট। অর্থাৎ পোস্টে শব্দ সংখ্যা ৩৫০ টির কম।
  • অটোমেটিক্যালি জেনারেটর কনটেন্ট। অর্থাৎ যে কনটেন্ট টি আপনার লেখা নয়। আপনি গুগল ট্রান্সলেট বা অন্য কোন জেনারেটর থেকে কনটেন্ট জেনারেট করে নিয়েছেন। এ সমস্যা টি এড়াতে কমদামে কন্টেন্ট কিনা থেকে বির থাকবেন বা নিজে কন্টেন্ট লিখবেন।
  • অন্য একটি সোর্স থেকে কপি করা কনটেন্ট। কপি এবং পেস্ট এর মাধ্যমে অন্যের পুরো কনটেন্ট আপনার ওয়েব সাইটে ব্যবহার করা। মূল কনটেন্টটি আপনার না হলে আপনার নিজের বলে আপনার সাইটে চালিয়ে দিবেন না। তবে আপনি নিজের বলে দাবি না করলেও গুগোল ঠিকই ধরে ফেলবে কনটেন্ট টি আপনার নয়। আপনি অন্য কোথাও থেকে কপি করেছেন। 

মোটামুটি উপরোক্ত  বিষয় গুলোর কারণেই Low Value Content ইস্যু দেখিয়ে আপনার এডসেন্স অ্যাপ্লিকেশনটি রিজেক্ট করে দেয়। আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের লো ভেলু কনটেন্ট ইস্যু এড়িয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পেতে সহায়তা করবে। 

পোস্টটি ভালো লাগলে এবং নিত্য নতুন তথ্য বাংলায় জানতে বঙ্গ টেক এর সাথেই থাকুন।  আবারও দেখা হবে নতুন আরেকটি ব্লগে। ঘরে থাকুন, ভালো থাকুন।

Thursday, 1 April 2021

ইন্টারনাল লিংক এসইও এবং ট্রাফিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন ?



আমরা সবাই জানি গুগল এর মধ্যে সাইট র‍্যাঙ্কিংয়ের এর অন্যতম মাধ্যম হলো কন্টেন্ট। কন্টেন্ট যত বেশি হবে গুগলে আপানার সাইটের লিংক তত বেশি ইনডেক্স হবে। 

গুগলের এর র‌্যাঙ্কিং কন্টেন্ট লেখার উপরও নির্ভর করে। গুগোল সব সময় চাই কন্টেন্টে এমন কিছু থাকুক যা ভিজিটর কে অন্য একটি পেজ দেখতে উৎসাহিত করবে। ইন্টারনাল লিংক এর মাধ্যমে আমরা সহজেই এই কাজটা করে ফেলতে পারি। তাই বেশির ভাগ ব্লগের এখন ইন্টারনাল লিংক এর ব্যবহার করা শুরু করেছে।


আমরা কেন ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করি?

  • ইন্টারনাল লিংক এসইও তে অনেক সাহায্য করে।

গুগলে সাইট র‌্যাঙ্কি করতে ইন্টারনাল লিংক অনেক উপকারী। যারা SEO নিয়ে কাজ করেন বা কিছুটা জানেন তারা বিষয় টি বুঝতে পারবেন।

  • ভিজিটর দের মধ্যে ট্রাস্ট এর পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

ইন্টারনাল লিংক ভিজিটরকে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারনা দেয় বা অনেক না জানা বিষয় জানতে সাহায্য করে। ধরুন আপনি স্যামসাং এর কোন ফোন সম্পর্কে রিভিউ দিচ্ছেন। এবং SUPER AMOLED ডিসপ্লে নিয়ে বলতেছেন। এখন আপনি সুপার এমোলেড কথা টা যদি সুপার এমোলেড সম্পর্কে লিংক করে দেন তাহলে ভিজিটর এর পুরো বিষয় টা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। এতে করে ভিজিটর দের ট্রাস্ট বেড়ে যাবে।

  • ইন্টারনাল লিংক ট্রাফিক বুস্ট করতে সাহায্য করে।

উধাহরন স্বরুপ আমার আজকের এর পোস্ট টি ব্লগার বা ওয়েবসাইট রিলেটেড। আমি যদি পোস্টের কোথাও আমার গত দিনের অ্যাডসেন্স নিয়ে লেখা পোস্ট করে দেই তাহলে মন্দ হয় না। কারন বেশির ভাগ ব্লগার দের প্রধান ফোকাস থাকে গুগোল অ্যাডসেন্স। এতে ভিজিটর ও তার প্রয়োজনীয় পোস্ট টি ভাবনার সাথে সাথে পেয়ে যাবে এবং আমি ও ভিজিটর পাবো। 

  • ওআন পেজ এসইও তে ইন্টারনাল লিংক এর ভুমিকা সব চেয়ে বেশি।

যারা ওয়ার্ডপ্রস ইউজার এবং Yoast এসইও ব্যবহার করেন তারা অনেকে হয়তো বিষয় টা জানেন। ইন্টারনাল লিঙ্ক ছাড়া ওয়ান পেজ এসইও সম্ভব নয়।

  • ইন্টারনাল লিংক ক্রল এবং ইনডেক্স এ সহায়তা করে।

গুগল বট গুলো ব্যবহার কারীর চিন্তা ভাবনার উপর ভিত্তি করে ডিজাইন করা। গুগোল যখন দেখে পোস্টে অনেক লিংক আছে তখন গুগল তাড়াতাড়ি সেটা ইনডেক্স করে নেয়, কারন ওই পোস্ট ভিজিটর দের অন্য বিষয় জানতে বা অন্য পেজে যেতে উৎসাহিত করে।


পোস্ট এর মধ্যে ইন্টারনাল লিংক কিভাবে সেট করবেন?

ইন্টারনাল লিংক দুই ভাবে সেট করা যায়। চলুন দেখে আসি কিভাবে সেট করেঃ

  • এক, ম্যানুয়ালী সেট করতে চাইলে যে টেক্সট তা তে লিংক দিতে চাচ্ছেন সেটা সিলেক্ট করে Ctrl+K প্রেস করলেই নিচে লিংক বক্স আসবে। সেখানে ওই নির্দিষ্ট লিংক দিয়ে Enter প্রেস করলেই হয়ে যাবে। ব্লগার এর ক্ষেত্রেও সেম, Ctrl+k প্রেস করলে একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে। সেখানে লিঙ্ক দিয়ে Enter প্রেস করলেই হয়ে যাবে। 
  • দুই, আপনি চাইলে খুব সহজেই টেক্সট সিলেক্ট করে নিচের স্ক্রিনশট এ দেখানো চিহ্ন তে ক্লিক করে লিংক এড করতে পারবেন। ব্লগার এর ক্ষেত্রেও একই ভাবে করা যাবে।
Internal Link for SEO


আশাকরি পোস্ট টি আপনার ভালো লেগেছে। নিত্য নতুন  এমন টেক ব্লগ পড়তে চাইলে আমাদের সাথেই থাকুন। আজ এখানেই শেষ, ধন্যবাদ।